ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, ক্ষতির আশঙ্কায় হিলি দিনাজপুর স্থলবন্দর দিয়ে দেশে মরিচ ঢুকছে না। এছাড়া ১৫ জুলাই নতুন মরিচ ছাড়ার আগ পর্যন্ত বাজারদর বাড়বে। এসব কারণে মরিচের দাম বেড়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে শহরের ফতেআলী ও রাজাবাজারে প্রতি কেজি মরিচের দাম 350-400 টাকা করে বিক্রি করতে দেখা যায়। এটি কাছাকাছি খুচরা বিক্রেতাদের কাছে 20-30 টাকা বেশি বিক্রি হয়। ঈদের পর সোমবার মরিচ বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা কমে ৩০০ টাকায়। কিন্তু নিম্নমানের মরিচের দাম প্রতি কেজি ২০০ টাকা।
কাঁচা বাজারের প্রধান বাজার মহাস্থান হাটের ব্যবসায়ী বাদশা মিয়া জানান, তিনি স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে কাঁচা মরিচ কিনেছেন সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা দরে।
তারা বলেন, চট্টগ্রামের বাজার খারাপ। আমাদের এখানে কাঁচা মরিচ ৩০০ টাকায় কিনে অর্ধেক দামে বিক্রি করতে হবে। তাই এখন তারা চট্টগ্রামে কাঁচা মরিচ পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছেন। মরিচের পাশাপাশি অন্যান্য সবজির দামও বাড়ছে। তিনি ভারত থেকে না আসায় মঙ্গলবার রংপুরের বাউলাহাটে কাঁচা মরিচ বাজারে বিক্রি হয় প্রতি কেজি ৩০০ টাকায়।
মঙ্গলবার বিকেলে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দরের আশপাশের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতি কেজি সবুজ মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। এর পাশে ভারতের বাজারে প্রতি কেজি ১৬০ টাকা। অনেক আমদানিকারকের কাছে সবুজ মরিচের ঋণপত্র রয়েছে কিন্তু লোকসানের ভয়ে এই বন্দর দিয়ে নিয়ে আসে নি।
অন্যদিকে যশোরের বেনাপোল বন্দরের কাছে বাজারে প্রতি কেজি সবুজ মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা। এ বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচের ট্রাক দেশে প্রবেশ করে।
বগুড়ার রাজাবাজার আড়তদার ও ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল প্রসাদ রাজ জানান, মঙ্গলবার কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে একশত টাকা বেড়েছে। বিক্রি হয় ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা দরে।
নতুন মরিচ বাজারে না আসা পর্যন্ত দাম বাড়তেই থাকবে বলে জানান তিনি। ১৫ জুলাইয়ের পর এই সমস্যা আর থাকবে না।

0 Comments:
Post a Comment