বনানীর বিদ্যানিকেতন স্কুলে প্রবেশ করে দেখা যায়, দুই সারিতে দাঁড়িয়ে আছে নারীরা। এক সারিতে 60-70 জন। তাদের লাইনে দাঁড় করাচ্ছিলেন বনানী থানা মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি রিয়া।
কড়াইলের বউবাজারের আমেনা নামের এক নারীকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমার শাশুড়ি আসবে , তাই লাইনে দাঁড়িয়ে আছি।
কড়াইলের বউবাজারের আমেনা নামের এক নারীকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমার শাশুড়ি আসবে , তাই লাইনে দাঁড়িয়ে আছি।
কেন সবাইকে লাইনে দাঁড় করাচ্ছেন— এ বিষয়ে রিয়াকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আমি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছি। তাই সবাইকে লাইনে দাঁড় করাচ্ছি।
কিন্তু ভোটকেন্দ্রে ভোটার নেই- এমন প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে চলে যান তিনি।
কিন্তু ভোটকেন্দ্রে ভোটার নেই- এমন প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে চলে যান তিনি।
একই ঘটনা ঘটেছে কড়াইলের টিঅ্যান্ডটি মহিলা কলেজেও। সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত একটি কেন্দ্রে মাত্র ৩১টি ভোট পড়েছে। তবে বাইরে নারীদের বেশ লম্বা লাইন।
সেখানে জান্নাত হোসেন নামে এক নারীকে কেন দাঁড়িয়ে আছেন জিজ্ঞেস করা হয়, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ফাঁকা, তা হলে বাইরে কেন দাঁড়িয়ে আছেন। তখন তিনি ভোট দিতে ভেতরে যান এবং ভোট না দিয়েই আবার বের হয়ে আসেন। এ সময় তার হাতে আগে থেকেই ভোট দেওয়ার কালি লাগানো আছে। অর্থাৎ তিনি ভোট দেওয়ার পরও লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
আওয়ামী লীগের মহিলা সমিতির ২০ নম্বর ওয়ার্ড এর সদস্য তাহমিনা আফরিন খাদিজা নারীদের কেন্দ্রে লাইনে রাখতে তার দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমাদের ১০ জনকে পাঠাতে বলা হয়েছে। তাই বাকিদের লাইনে ডাঁড় করিয়ে রাখছি।

0 Comments:
Post a Comment