শনিবার (১৯ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন টানেলের প্রকল্প ব্যবস্থাপক হারুনুর রশিদ।
তিনি জানান, টানেল সড়ক ও প্রবেশ পথসহ সব কাজ শেষ হয়েছে। মাত্র কয়েকটি কাজ সম্পন্ন করা বাকি আছে। চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি। ২৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানেলের উদ্বোধন করবেন।
টানেল প্রকল্পটি বাংলাদেশ ও চীন সরকারের যৌথ অর্থায়নে। মূলত খরচ ছিল ৮হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৪ লাখ। তবে নির্মাণ সামগ্রীর দাম বৃদ্ধির ফলে প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে ১০ হাজার ৫৩৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা ।
টানেলের এক প্রান্ত শুরু হয়েছে পতেঙ্গা নেভাল একাডেমির পাশ থেকে। নদীর তলদেশ দিয়ে তা চলে গেছে আনোয়ারার দিকে। নদীর তলের এ পথের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। এখন যে পথ ঘুরে যেতে এক ঘণ্টা সময় লাগে, টানেল দিয়ে যেতে সময় লাগবে পাঁচ থেকে দশ মিনিট।
টানেল প্রকল্পটি বাংলাদেশ ও চীন সরকারের যৌথ অর্থায়নে। মূলত খরচ ছিল ৮হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৪ লাখ। তবে নির্মাণ সামগ্রীর দাম বৃদ্ধির ফলে প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে ১০ হাজার ৫৩৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা ।
টানেলের এক প্রান্ত শুরু হয়েছে পতেঙ্গা নেভাল একাডেমির পাশ থেকে। নদীর তলদেশ দিয়ে তা চলে গেছে আনোয়ারার দিকে। নদীর তলের এ পথের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। এখন যে পথ ঘুরে যেতে এক ঘণ্টা সময় লাগে, টানেল দিয়ে যেতে সময় লাগবে পাঁচ থেকে দশ মিনিট।
কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম টানেলের মধ্য দিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় মানুষ।
পতেঙ্গার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করছিলাম। এবার সেই স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে। এটা ভাবতে অবাক লাগে যে টানেলটি পানির নিচে চলে যাবে।
পতেঙ্গার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করছিলাম। এবার সেই স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে। এটা ভাবতে অবাক লাগে যে টানেলটি পানির নিচে চলে যাবে।
এই টানেল অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে বলেও আশা করছেন উদ্যোক্তারা।
চট্টগ্রামে চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক অঞ্জন শেখর দাস বলেন, টানেল সংযোগের পাশাপাশি দক্ষিণ চট্টগ্রামে অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটাবে। টানেল চালি হলে চট্টগ্রামের চিত্র পাল্টে যাবে।

0 Comments:
Post a Comment