রোববার দুপুরের দিকে ধুনট থানা থেকে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে আনা হয়। এ ছাড়া ওই স্কুল শিক্ষককে বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শারীরিক পরীক্ষার জন্য এবং বগুড়া আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে।
মামলা ও থানা সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষিত ওই শিক্ষক ধুনট শহরের একটি বেসরকারি কিন্ডার গার্টেনে চাকরি করতেন। প্রতিদিন বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার পথে সুমন হাসানের সঙ্গে তার দেখা হয়। ২০০৪ সালের মে মাসে সুমন হাসান ওই স্কুল শিক্ষককে প্রলোভন দিয়ে ঢাকার বাইপাইল জেলায় নিয়ে যায়।
পরে সুমন হাসান বিয়ের প্রলোভনে স্কুল শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করতে থাকে।
পরে সুমন হাসান বিয়ের প্রলোভনে স্কুল শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করতে থাকে।
প্রায় একমাস অতিবাহিত হলেও চাকরি হয়না স্কুল শিক্ষিকার। সুমন হাসান বিয়ে করতেও অস্বীকৃতি জানায়। এক পর্যায়ে ১১ জুন বাড়ি ফিরে আসে ওই স্কুল শিক্ষিকা। পরবর্তীতে ১৪ জুলাই আবারো একই প্রলোভনে তাকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে সুমন হাসান।
তবে স্কুল শিক্ষিকার চাকরি ও বিয়ে না না হওয়ায় বাড়ি ফিরে শনিবার সন্ধ্যায় সুমন হাসানের বিরুদ্ধে ধনুট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
রাতে অভিযান চালিয়ে সুমন হাসানকে ঢাকার বাইপাইল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
রবিবার সকালে আবেদনকারী, একজন স্কুল শিক্ষক নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইনে ধুনট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
রবিবার সকালে আবেদনকারী, একজন স্কুল শিক্ষক নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইনে ধুনট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম (ওসি) জানান, স্কুল শিক্ষকার অভিযোগ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

0 Comments:
Post a Comment