দেশের সব জেলাতেই সব সময় কমবেশি দই তৈরি হয়। কিন্তু গত শতকের শুরু থেকে এখন অবধি অনন্য স্বাদ, মান, জনপ্রিয়তা আর সুখ্যাতিতে বগুড়ার দই-ই সবচেয়ে এগিয়ে। ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় এই দইয়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। দেশের বাহিরে অর্থাৎ বিদেশেও বাড়ছে এর চাহিদা।
বগুড়া চেম্বারের সহসভাপতি মাফুজুল ইসলাম বলেন, বগুড়া জেলায় প্রতিদিন এক কোটি টাকার বেশি দই বিক্রি হয়। সেই হিসাবে বছরে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার দই কেনাবেচা হয়। মিষ্টি বিক্রি হয় প্রায় ৩০০ কোটি টাকার। এ ছাড়া মাটির সরা ও হাঁড়ি বানিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন পাল সম্প্রদায়ের হাজার হাজার মানুষ।
জানা গেছে, ভারতে বিচ্ছিন্নভাবে এবং প্রবাসীদের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বগুড়ার দই যাচ্ছে। বগুড়ার কারিগরেরা মধ্যপ্রাচ্য ও অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে বগুড়ার দই উৎপাদন করছেন। বগুড়ার দইকে বিশ্ববাজারে তুলে ধরার ক্ষেত্রে অনবদ্য ভূমিকা রাখছে এশিয়া সুইটস। ভারত, নেপালসহ কয়েকটি দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় এশিয়ার দই প্রশংসিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে অচিরেই বগুড়ার দই বিদেশে রপ্তানি করা যাবে।

0 Comments:
Post a Comment