গ্রেফতারকৃতরা হলো: কলেজে মাস্টার রোলে কর্মরত হারুনুর রশিদ, অফিস সহায়ক আমিনুর রহমান ও আব্দুল হান্নান। এরমধ্যে হারুনুর রশিদ আর আমিনুর রহমানকে র্যাব ও হান্নানকে পুলিশ আটক করে।
এর আগে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তদন্ত করতে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সচিব হুমায়ন কবিরের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করে। তারা শনিবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা রাশেদুল হক, মিলন হাসান, উম্মে হাবিবা এবং শারমিন আখতার নামে চার ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে পৃথক লিখিত মন্তব্য নেওয়া হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা হিসেবে অভিযুক্ত হারুন ও হানানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় জড়িত আমিনুরের নামও উল্লেখ করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তদন্ত কমিটির সামনে তাকে আটক করে র্যাব ও পুলিশ।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সচিব হুমায়ুন কবির বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড একটি তদন্ত কমিশন গঠন করেছে। সেজন্য আমরা অন্বেষণ করতে এসেছি। তদন্ত চলছে। ২১ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। বোর্ডের বিভিন্ন পদের কর্মচারীরা লাইসেন্স জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বগুড়া র্যাব-১২ স্কোয়াড লিডার (সহকারী পুলিশ সুপ্স্র) নজরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার পর গোপন অভিযানে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 Comments:
Post a Comment