ডেস্ক রিপোর্টঃ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ডেঙ্গু সংক্রমণ অব্যাহত থাকলেও, সেগুলিকে খুব বেশি মনোযোগ দেওয়া হয়নি। ফলে চলতি মৌসুমের শুরুতেই তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
চিকিৎসকরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় ডেঙ্গু রোগীদের অবস্থার খুব দ্রুত অবনতি হচ্ছে।
মুশতাক হোসেন বলেন, “আসলে গত বছরের সঙ্গে এই বছরের মধ্যে ডেঙ্গু রোগী আসার ক্ষেত্রে কোন বিরতি ছিল না। শীতকালেও আমরা রোগী পেয়েছি। এবার মৌসুম শুরু হওয়ার এক দেড় মাস আগে থেকেই আমরা অনেক বেশি রোগী পাচ্ছি।
বাংলাদেশে ১৯৬৫ সালে ডেঙ্গু জ্বর প্রথম শনাক্ত হয়। তখন এই রোগটি ঢাকা ফিভার নামে পরিচিত ছিল। তবে, ২০০০ সাল থেকে, এই রোগের সংক্রমণ বেড়েছে।
“আক্রান্তদের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরের চার প্রকার বা সেরোটাইপ রয়েছে। যারা এখন আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের মধ্যে দ্বিতীয় বার আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যাই বেশি। ২০০০ সালের আগে আগে আমরা দেখেছি, মানুষজন একটা ডেঙ্গুর একটা ধরনে আক্রান্ত হতো। ফলে তাদের মধ্যে একটা প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠতো। কিন্তু যখন মানুষ চারটা ধরনেই আক্রান্ত হতে শুরু করে, তখন প্রতিরোধ ক্ষমতা তেমন কাজ করে না। তখন সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি তিনগুণ বেড়ে যায়,’’ তিনি বলছেন।
সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা বলেন, দেশে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। কিন্তু এখন প্রতিটি হাসপাতালেই ডেঙ্গু কর্নার আছে। প্রতিটি হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা রয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও আমরা চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত।
বাংলাদেশে, গত বছর ডেঙ্গু জ্বরে ৬২ হাজার ৩৮২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।২৮১ জন মারা গেছে। চলতি বছরের জুলাই ও আগস্টে ডেঙ্গুর সংক্রমণও অনেক বেড়েছে।
আগের বছরও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেশি ছিল। ২০১৯ সালে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছিল।
আগের বছরও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেশি ছিল। ২০১৯ সালে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছিল।

0 Comments:
Post a Comment