কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রধান কমিশনার ওবায়দুর রহমান কারা মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠানো এক প্রতিবেদনে পাপিয়ার সম্পৃক্ততার কথা উঠে এসেছে। গত ৫ জুলাই পাঠানো এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শামীমা নূর পাপিয়াসহ অন্য কয়েদিরা হাজতী রুনা লায়লাকে মারধর করে। রুনার ভাই আব্দুল করিম জেলে তার বোনের সাথে দেখা করতে গিয়ে প্রতারিত হন। অন্য বন্দীকে রুনা সাজিয়ে তাঁর সঙ্গে ভুয়া টেলিফোন আলাপ করানো হয়।
শিক্ষানবিশ আইনজীবী রুনা লায়লাকে ঢাকার কোতোয়ালি থানায় একটি মামলার জন্য ১৬ জুন কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। তাকে জেলে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত মেট্রন রুনারকে তল্লাসি করে তার কাছ থেকে ৭,৪০০ টাকা পায়। গত ১৯ জুন পাপিয়া ও তার সহযোগীরা রুনাকে নির্যাতন করে তার কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেয় ।
জানা গেছে, লুনাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে ফেলে রাখা হয়েছে। এ নিয়র জেল সালিশ (মামলা চিত্র) শুরু হয়। সেখানে বন্দি ও কারা কর্মচারীরা ত্রিমুখী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর চলতি মাসের শুরুতে পাপিয়াকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
২৭ জুন জামিনে মুক্তি পাওয়া রুনা লায়লা বলেন, "আমার কাছে ৭,৪০০ টাকা ছিল।" শামীমা নুর পাপিয়া ও তার সহযোগীরা টাকা পাওয়ার জন্য আমাকে একটি সিসি ক্যামেরা নেই এমন স্থানে নিয়ে যায়। টাকা দিতে অস্বীকার করলে, জোর করে টাকা নিয়ে যায়। এরপর পাপিয়া ও তার সহযোগীরা আমার হাত-পা বেঁধে অমানবিকভাবে মারধর করে। আমি পাপিয়ার হাত পা চেপে ধরে আমাকে না মারার জন্যে অনুরোধ করলাম। কিন্তু সে আমার কথা শোনেনি। 』

0 Comments:
Post a Comment