কামাল হোসেন সোমবার চুয়াডাং প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। তিনি চেয়ারম্যানের মাদক ব্যবসা ও অবৈধ আয়ের নানা তথ্য প্রকাশ করেন। তার বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। তাই তিনি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এর আগে গত ৬ জুলাই রাতে আলমডাঙ্গায় সাংবাদিক বিভাগের কার্যালয়ে একই অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
28 ডিসেম্বর, 2021 ইউপি নির্বাচনে মকলাছুর রহমান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। আর সংবাদ সম্মেলন করা কামাল হোসেন একই এলাকার বাসিন্দা ও যুবলীগের কর্মী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কামাল হোসেন দাবি করেন, তিনি অতীতে কৃষির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন মকলেছুর রহমানের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে জরিত ছিলেন। মকলেছুর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর কামালকে বিভিন্ন স্থানে মাদক পাঠানোর আহ্বান জানান। একদিন তার মাধ্যমে কেদারনগর গ্রামে মাদক পাঠানো হয়। কিন্তু তার আগেই সেখানে পৌঁছে যায় র্যাব। এরপর তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ওই মামলায় তাকে আদালতে হাজির করা হলে তাকে স্থানীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কামাল হোসেন দাবি করেন, তিনি অতীতে কৃষির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন মকলেছুর রহমানের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে জরিত ছিলেন। মকলেছুর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর কামালকে বিভিন্ন স্থানে মাদক পাঠানোর আহ্বান জানান। একদিন তার মাধ্যমে কেদারনগর গ্রামে মাদক পাঠানো হয়। কিন্তু তার আগেই সেখানে পৌঁছে যায় র্যাব। এরপর তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ওই মামলায় তাকে আদালতে হাজির করা হলে তাকে স্থানীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
কামাল দাবি করেন, বন্দি থাকাকালীন চেয়ারম্যান তাকে কারাগারে দেখতে গিয়েছিলেন। চেয়ারম্যান তখন বললেন, আপনি আমার কথা শুনলে আমি আপনাকে বের করে দিতে পারি। আমি যা বলি তুমি যদি তা করো, পুলিশ তোমাকে স্পর্শও করবে না। আপনার পক্ষে মামলা হলে যাবতীয় খরচ আমি বহন করব, অন্যথায় আমি আপনাকে জামিন নিয়ে দিতে পারব না।
যুবলীগের কর্মচারী কামাল জানান, কারাগার থেকে চেয়ারম্যানের কথায় রাজি হয়ে আবার মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। এদিকে পুলিশের হাতে ধরা পড়লে আব্বাস নামে এক মাদক ব্যবসায়ী তার নাম (কামাল) জানায়। মামলা থেকে তার নাম বাদ দেওয়ার জন্য চেয়ারম্যান তার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নেন। কামাল এমন অবস্থায় মাদক বিক্রি করতে না চাইলে শুরু হয় নির্যাতন। তারা তাকে হত্যার চেষ্টা করছে।
কামাল হোসেনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে গতকাল দুপুরে জেহালা ইউপি চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমানের মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হয়। কল রিসিভ করলে তিনি ফোন কেটে দেন কিন্তু কল ব্যাক করেননি।
কামাল হোসেনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে গতকাল দুপুরে জেহালা ইউপি চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমানের মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হয়। কল রিসিভ করলে তিনি ফোন কেটে দেন কিন্তু কল ব্যাক করেননি।
গত ৬ জুলাই সন্ধ্যায় আলমডাঙ্গায় এক সংবাদ সম্মেলনে কামাল হোসেন এসব অভিযোগ করেন এবং পরদিন পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন চেয়ারম্যান। এ সময় তিনি বলেন, প্রায় আড়াই মাস ধরে মাদকের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। ফলে অনেক মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। এতে তিনি (চেয়ারম্যান) এলাকায় মাদক ব্যবসার একাধিক মামলার আসামি কামাল হোসেনের ওপর ক্ষুব্ধ হন। তাকে সমাজে হেয় করতে ও নিজেকে বাঁচাতে সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দেন।

0 Comments:
Post a Comment