ডেস্ক রিপোর্টঃ বগুড়ায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রস্তুত সাত লাখের বেশি পশু। এই সংখ্যক পশু তৈরি করেছেন এ অঞ্চলের ৪৪ হাজার ৩২৯ জন খামারি। তবে গবাদিপশুর দাম বেশি হওয়ায় আশানুরূপ দাম নিয়ে উদ্বিগ্ন খামারিরা। আগামী বছর বেশিরভাগ ব্যবসা বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। এ অবস্থা থেকে কৃষকদের বাঁচাতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
জেলা প্রাণিসম্পদ প্রশাসনের ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গত বছর 400,000,295 পশু জবাইয়ের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। এবার ৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪৯৫টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। কাটা পশুর মধ্যে ১ লাখ ৭৬,০০০,৪৯০টি ষাঁড়, ৪১,০০০,৮০৬টি ষাঁড়, ৫০,০০০,৪৫১টি গরু, ২,০০০,৬৬০টি মহিষ, ৪ লাখ ৩৩,০০০,৬১৫টি ছাগল এবং ৩১,৩৭,৪৭৫টি ভেড়া রয়েছে।
সংগৃহীত পশুর মধ্যে বগুড়া সদরে ৭১ হাজার ৭০৩টি, গাবতলীতে ৬ হাজার ৫২৮টি, সারিয়াকান্দিতে ৬৫ হাজার ৮০৬টি, সোনাতলায় ৫৬ হাজার ৪১৯টি, শিবগঞ্জে ৬৩ হাজার ৫৫৩টি, কাহালুতে ৬১ হাজার ৮৮০টি এবং দুপচাচিয়ায় ৫৯ হাজার ৯৮৫টি পশু সংগৃহীত হয়েছে। আদমদীঘিতে ১,৬৩৮, নদীগ্রামে ৪৯,১৭১, শেরপুরে ৭০,১৬২, ধুনটে ৬২,১৩২ এবং শাহজাহানপুরে ৫৩,১২০ টি।
বগুড়ার কাহালুর দরগাহাটের বগুড়া ভান্ডার এগ্রো ফার্মের মালিক তৌহিদ পারভেজ বিপ্লব বলেন, “গত বছর প্রতি গরুর জন্যে খরচ হয়েছে ৭০০ টাকা।আর এ বছর তা বেরে 12,000 হাজার। খাদ্যের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি কারেন্ট বিল, মজুরি ও অন্যান্য খরচও বেড়েছে। ফলে গবাদি পশুর দাম বাড়লেও ছোট খামারিদের পুনরুদ্ধার করা কঠিন। এসব কারণে আগামী বছর ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে অনেক ছোট খামার বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন: "আগামী বছর কোরবানির পশু সংগ্রহ করা থেকে কৃষকদের বাঁচাতে খাদ্যের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত, পশু পরিবহনের যানবাহনে চাঁদাবাজি বন্ধ এবং বিদেশ থেকে গরু আমদানি বন্ধ করতে হবে। নইলে এর প্রভাব সব এলাকায় পরবে।
বগুড়া সদর উপজেলার প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ বলেন, "ঈদের এখনো বাকি আছে। ইতিমধ্যেই হাটে কোরবানির পশু বেচাকেনা শুরু হয়েছে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো হাটে পশু কেনা-বেচা হয়। প্রতিটি হাটে মেডিকেল টিম কাজ করে। যখন একটি পশু অসুস্থ হয়ে পরে তখন মেডিকেল টিম পশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করে । বাজারে আনা পশুদের বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা-নিরিক্ষা করা হয়।

0 Comments:
Post a Comment