দিবসটি উপলক্ষ্যে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার বাণীতে বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি ও আদর্শ স্বাধীনতাকামী মানুষের অধিকার আদায় এবং শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে গণজাগরণে সবসময় অনুপ্রেরণা জোগাবে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার বাণীতে বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি ও আদর্শ স্বাধীনতাকামী মানুষের অধিকার আদায় এবং শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে গণজাগরণে সবসময় অনুপ্রেরণা জোগাবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেছেন, ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যা করলেও তার স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং গণতন্ত্র-উন্নয়নবিরোধী চক্র এখনও দেশে-বিদেশে নানাভাবে চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। চক্রান্তকারী অপশক্তির যেকোনো অপতৎপরতা ও ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করে দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, বুদ্ধিমত্তা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে একটি নতুন স্বাধীন দেশ গড়ার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে ধানমন্ডির বাসভবনে একজন বিপথগামী কিছু সেনা কর্মকর্তার হাতে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার নিহত হন। সেদিন শুধু ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেনি, বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল এবং তার পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামালও একে একে প্রাণ হারান।
বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, তার ভগ্নিপতি আবদুল রব সেরনিয়াবাত, ছেলে আরিফ ও সুকান্তবাবু, মেয়ে বিবি, বঙ্গবন্ধুর সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণির ভাগ্নে, গর্ভবতী স্ত্রী আরজু মনি, আবদুল নাঈম খান রিন্টু, কর্নেল জামীলসহ অন্যান। এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেনি পরিবারের শেখ রাসেলও ।
এদিকে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রান বাছে তাদের।

0 Comments:
Post a Comment