এই ঘটনা ঘটেছে বগুড়ার শেরপুর শহরে। বৃহস্পতিবার বগুড়ায় নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন ২৩ বছর বয়সী এই কলেজ ছাত্রী। তিনি শেরপুর উপজেলার বাসিন্দা । সে ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছে।
বগুড়ার শেরপুর থানায় কর্মরত থাকা অবস্থায় ২৮ বছর বয়সী মিথুন সরকার তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। তার বাড়ি শেরপুর অঞ্চলের সদর উপজেলার বয়রা পালপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম সুনীল সরকার।
এসআই মিথুন এখন বগুড়া পুলিশ লাইন্সে কর্মরত। তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সেসে যুক্ত হয়। অন্যদিকে মিথুন মেয়েটির সঙ্গে আপস করার চেষ্টা করেন। তিনি সফল হননি। এদিকে মিথুন বিয়েতে রাজি না হওয়ায় ভিকটিম ছাত্রী শেষ পর্যন্ত মিথুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই.মিথুন বলেন, এগুলো অসত্য ও মিথ্যা। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই.মিথুন বলেন, এগুলো অসত্য ও মিথ্যা। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।
মেয়েটি আপনাকে কেন ফাঁদে ফেলতে পারে জানতে চাইলে এসআই মিঠুন ফোন বন্ধ করে দেন।
জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েটির আইনজীবী লুৎফর রহমান জানান, আদালত মেয়েটির মামলাটি নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েটির আইনজীবী লুৎফর রহমান জানান, আদালত মেয়েটির মামলাটি নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

0 Comments:
Post a Comment