জানা যায়, চলতি বছরের ২৯ মার্চ কাঁচাগোল্লাকে ভৌগলিক পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের উদ্যোগ নেন এমপি শামীম আহমেদ। এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ আগস্ট শিল্প মন্ত্রণালয় একটি সার্টিফিকেট জারি করে।
কীভাবে তৈরি হয় কাঁচাগোল্লা: দুধের ছানার সঙ্গে চিনি মিশিয়ে বানানো হয় কাঁচাগোল্লা। প্রথমে কড়াইতে দুধ ঢেলে জ্বাল দিতে হবে। দুধ গরম হলে প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে ছানা তৈরি করে নিতে হবে। এরপর কড়াইয়ে পানির মধ্যে চিনি ঢেলে জ্বাল দিতে হয় (১ কেজি কাঁচা ছানার জন্য ৪০০ গ্রাম চিনি)। কড়াইয়ের গাদ ময়লা পরিষ্কার হয়ে গেলে কড়াইয়ে কাঁচা ছানা ঢেলে দিতে হয়। এরপর জ্বাল এবং একইসঙ্গে কাঠের খন্তা দিয়ে নাড়তে হবে। এভাবেই ৩০ থেকে ৪০ মিনিট নাড়তে নাড়তেই পরিপূর্ণ কাঁচাগোল্লা তৈরি হয়ে যায়।
জয়কারি মিষ্টির দোকানের মালিক প্রভাত কুমার পাল বলেন, “আমি আমার দাদার সময় থেকে কাঁচাগোল্লা তৈরি করে আসছি। তাদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য আমরা এখনও কাঁচাগোল্লা তৈরি করছি। এটি সারা বাংলাদেশে বিখ্যাত এবং বিশ্বস্ত। আজ আমাদের কাঁচাগোল্লা জিআই-প্রত্যয়িত।" আমরা যারা এই পেশাটি অনুশীলন করি তাদের জন্য আমি খুব খুশি।
নাটোরের জেলা প্রশাসক আবু নাছের ভূঁইয়া বলেন, “নাটোরের ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় পণ্য কাঁচাগোল্লা এখন জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃত। ভবিষ্যতে, আমরা এই পণ্যটিকে আরও বিশ্বব্যাপী প্রসারিত করতে চাই। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

0 Comments:
Post a Comment