সুইডেনে পবিত্র কোরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে শুক্রবার (৭ জুলাই) জুমার নামাজের পর এ মিছিল বের হয়। পরে সাতমাথা হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মিছিল শুরুর আগে বায়তুল-রহমান কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলে বক্তৃতা দেন ওলামা মাশায়েখ পরিষদের প্রধান ও জামায়াত সাবেক নায়েবে আমির আলমগীর হোসেন এবং বগুড়া পৌরসভার জামায়াতে ইসলামী শাখার আমির আবিদুর রহমান সোহেল।
ওলামা মাশায়েখ পরিষদের প্রধান আরামগীর হোসেন বলেছেন, সুইডেন সরকারের সহায়তায় এক জন ব্যাক্তি আল্লাহর কোরান পুড়িয়েছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং তাকে গ্রেফতারের দাবি জানাই।
জামায়াতে ইসলামী বগুড়া শহর শাখার আমির আবিদুর রহমান সোহেল বলেন,সরকারের সহায়তায় সুইডেনে ঈদুল আজহায় বাক-স্বাধীনতার নামে পবিত্র কোরআনে আগুন দিয়ে বিশ্বে ৭ কোটি মানুষের হৃদয়ে আঘাত করেছে এক নাগরিক।
জামায়াত নেতা অবিলম্বে সুইডেন সরকারকে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে বলেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের কাছে সুইডেন সরকারের সঙ্গে সব কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করারও দাবি জানান।
সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিক ব্যানার ও স্লোগান ব্যবহার করতে দেখা যায়নি। তবে দলটির ছাত্রসংগঠন ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মিছিলের পুরো সময় নিজস্ব রাজনৈতিক স্লোগান ও বিক্ষোভ করতে দেখা যায়।
সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিক ব্যানার ও স্লোগান ব্যবহার করতে দেখা যায়নি। তবে দলটির ছাত্রসংগঠন ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মিছিলের পুরো সময় নিজস্ব রাজনৈতিক স্লোগান ও বিক্ষোভ করতে দেখা যায়।
এদিকে জুমার নামাজের আগে থেকেই সমাবেশ স্থল ও বগুড়া শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পুলিশ সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরাফত ইসলাম বলেন, সাধারণ মুসল্লিদের ব্যানারে মিছিল হয়েছে। কোনো রাজনৈতিক দলকে কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। রাজনৈতিকভাবে কেউ এ কর্মসূচি ব্যবহারের চেষ্টা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 Comments:
Post a Comment