তিনি তার বক্তব্যে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে দেশে ফেরার পর ২ টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন।।
প্রথমটি হলো,, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, ২য় টি হলো অর্থনৈতিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা। ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে তিনি প্রথম সারা দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। গ্রাম থেকে গ্রাম, শহরের একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত গিয়ে তিনি এদেশের যেসব মানুষের বুকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লাতিত ছিলো,,, সে আদর্শ কে জাগ্রত করেছেন।যার জন্য ৯৬ এ-র নির্বাচনে তিনি ২/৩ মেজোরিটি নিয়ে ক্ষমতায় এসেছেছিলেন।। ক্ষমতায় এসেই তিনি ইনডিমিনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করেছেন।। একটা কালো আইন করে সারা বিশ্বে এদেশের মানুষকে নীচু করা রাখা হয়েছিলো, একটা বর্বর অসভ্য কালো আইনের কলংকিত দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করা হয়েছিলো, সেখান থেকে তিনি এ জাতিকে উদ্ধার করেছেন। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যের মধ্যে দিয়ে বঙ্গবন্ধু যে দেশ তৈরি করেছিলেন, সেই বঙ্গবন্ধুর পরিবার কে হত্যা করে যে ইনডিমিনিটি আইন জারি করা হয়েছিলো,,, প্রথমে তিনি সেটাকে বাতিল করে তিনি এদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমাদের দেশ আবার তার মর্যাদার জায়গা ফিরে পেয়েছে। এ-র পরেই তিনি যেটা করেছেন, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কর্মসূচী; বঙ্গবন্ধু অর্থনৈতিক মুক্তির যে ডাক দিয়েছিলেন, ক্ষুধা-দারিদ্র, শোষণ মুক্ত , বৈষম্যহীন সোনার বাংলা গড়ার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই অর্থনৈতিক দর্শন কে তিনি ধারন করে,লালন করে এটাকে প্রতিষ্ঠা করতে তিনি সারা দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচী হাতে নিয়েছেন। বিগত সরকারের সময় যে বাজেট ছিলো ৫৪ হাজার কোটি টাকা,, আজ তিনি তা সাত লক্ষ কোটি টাকায় উন্নীত করেছেন। সারাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল করেছেন, মানুষের দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য শিল্পায়নের জোয়ার সৃষ্টি করেছেন। সারিয়াকান্দি - সোনাতলায় প্রয়াত সাংসদ আব্দুল মান্নান মারা যাওয়ার পর উন্নয়নের সে জোয়ারে অনেকটা ভাটা পড়েছে। যার জন্য এখানে উন্নয়নের জোয়ার অব্যাহত রাখবার প্রয়োজনে মেধাবী, পরিচ্ছন্ন, নির্লোভ মানুষের প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে মনোনয়ন দিলে এবং সোনাতলা সারিয়াকান্দীর মানুষ তার মতো স্বচ্ছ, মেধাবী, পরিশ্রমী আওয়ামী পরিবারের সন্তানকে গনজোয়ার সৃষ্টির মাধ্যমে তাকে নির্বাচিত করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
মোঃ ছানাউল ইসলাম রিজু ও এ এস এম সায়েম রাসেদ এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সোনাতলা উপজেলা আওয়ামিলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বুলু, সোনাতলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সামসুল হক মন্ডল, সোনাতলা উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জান্নাতুল ফেরদৌস রুম্পা, সোনাতলা পৌর মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সীমা আক্তার, মধুপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান দবির মন্ডল, তেকানী চুকাইনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মহিদুল ইসলাম খন্দকার সহ অনেকে।
সোনাতলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বুলু তার বক্তব্যে বর্তমান এমপি ও সোনাতলা উপজেলা চেয়ারম্যান এর বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেন। সেই সাথে তার মতো নেতাকে কোনো কারণ ছাড়া কমিটি থেকে বাহিরে রাখায় বিস্ময় ও হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা মোস্তাফিজুর রহমান শ্যামলের মতো ক্লিন ইমেজের মানুষকে সারিয়াকান্দী সোনাতলার বঞ্চিত, নিপীরিত মানুষের সেবা করতে পাঠাবেন বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি ও পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মশিউর রহমান রানা বর্তমান সংসদ ও তার পরিবারের বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরার পাশাপাশি মোস্তাফিজুর রহমান শ্যামল মনোনয়ন পেলে সোনাতলার আপামর মানুষকে সাথে নিয়ে নির্বাচিত করতে ঝাপিয়ে পরবেন বলে প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে অন্যানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন টুকু,
সোনাতলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য লুৎফর রহমান শিবলু, জেলা মৎস্যজীবী লীগের সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম মিঠু, উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক রেজাউল করিম মানিক আকন্দ, উপজেলা শ্রমিক লীগের সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি নুর আলম লিটন,
সারিয়াকান্দী উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রকি ইসলাম অনিক, সরকারি নাজির আক্তার কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মিলন ইসলাম, হাটশেরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সাদিকুর রহমান সজীব সহ সোনাতলা উপজেলার সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ।
সারিয়াকান্দী উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রকি ইসলাম অনিক, সরকারি নাজির আক্তার কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মিলন ইসলাম, হাটশেরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সাদিকুর রহমান সজীব সহ সোনাতলা উপজেলার সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ।

0 Comments:
Post a Comment