বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাহালু উপজেলা ও সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুনিদের গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ ও কাহালু থানা পুলিশ। পরে তাদের দেখানো স্থান থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়।বগুড়া ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইখান ওয়ালিউল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মৃত বিধান কাহালুর শিবা কলমা গ্রামের অনিল চন্দ্র সরকারের ছেলে। তিনি ১১ এপ্রিল নিখোঁজ হন। পরের দিন কাহালু থানায় তার বাবা একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।গ্রেফতারকৃতরা হলেন বিপুল চন্দ্র প্রাং (৩৫), দিনেশ চন্দ্র প্রাং (৪১) ও উৎপল চন্দ্র (২৪)। তাদের প্রত্যেকের বাড়ি কাহালু উপজেলার শিবা কলমা গ্রামে।ডিবির ইনচার্জ সাইহান ওলিউল্লাহ জানান, আসামিরা তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তারা নিহত বিধানকে চিনতেন।টাকা আদায় করার জন্যে তারা বিধান কে আটকে রাখার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আসামিরা বিধান কে কাহালু থানার সীমান্তবর্তী শিবা কলমা গ্রামের পূর্বে ভাদাখাল (সরকারি ড্রেনেজ) নামে একটি এলাকায় নিয়ে যায়। তারপর তারা পরিকল্পনা অনুযায়ী মদ্যপান করে। বিধান নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তাকে পিছন থেকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে। বিধান মাটিতে পড়ে যাওয়ার সাথে সাথে উৎপল তার হাতে থাকা হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে বিদানকে অজ্ঞান করা। তবে, আঘাতের তীব্রতার কারণে, তারা অবিলম্বে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন।বিধান আহত হয়ে পাশের ড্রেনে পড়ে গেলে আসামীরা তার মাথা পানিতে চুবিয়ে ধরে রাখে যার ফলে তার মৃত্যু হয়। তারপর মাটি খুঁড়ে সেখানে লাশ পুঁতে রাখে। পরের দিন সকালে, বিপুল অবস্থা পরিদর্শন করতে পুনরায় সেখানে যায় এবং দেখেন একটি শিয়াল মাটি খুঁড়ে মৃতদেহের একটি হাত বের করেছে। এরপর আবার মাটি চাপা দেয় বিপুল।
মৃত বিধান কাহালুর শিবা কলমা গ্রামের অনিল চন্দ্র সরকারের ছেলে। তিনি ১১ এপ্রিল নিখোঁজ হন। পরের দিন কাহালু থানায় তার বাবা একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।গ্রেফতারকৃতরা হলেন বিপুল চন্দ্র প্রাং (৩৫), দিনেশ চন্দ্র প্রাং (৪১) ও উৎপল চন্দ্র (২৪)। তাদের প্রত্যেকের বাড়ি কাহালু উপজেলার শিবা কলমা গ্রামে।ডিবির ইনচার্জ সাইহান ওলিউল্লাহ জানান, আসামিরা তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তারা নিহত বিধানকে চিনতেন।টাকা আদায় করার জন্যে তারা বিধান কে আটকে রাখার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আসামিরা বিধান কে কাহালু থানার সীমান্তবর্তী শিবা কলমা গ্রামের পূর্বে ভাদাখাল (সরকারি ড্রেনেজ) নামে একটি এলাকায় নিয়ে যায়। তারপর তারা পরিকল্পনা অনুযায়ী মদ্যপান করে। বিধান নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তাকে পিছন থেকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে। বিধান মাটিতে পড়ে যাওয়ার সাথে সাথে উৎপল তার হাতে থাকা হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে বিদানকে অজ্ঞান করা। তবে, আঘাতের তীব্রতার কারণে, তারা অবিলম্বে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন।বিধান আহত হয়ে পাশের ড্রেনে পড়ে গেলে আসামীরা তার মাথা পানিতে চুবিয়ে ধরে রাখে যার ফলে তার মৃত্যু হয়। তারপর মাটি খুঁড়ে সেখানে লাশ পুঁতে রাখে। পরের দিন সকালে, বিপুল অবস্থা পরিদর্শন করতে পুনরায় সেখানে যায় এবং দেখেন একটি শিয়াল মাটি খুঁড়ে মৃতদেহের একটি হাত বের করেছে। এরপর আবার মাটি চাপা দেয় বিপুল।
বিপুল চার-পাঁচ দিন ধরে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন, অভিযুক্ত দীনেশ ও উৎপলের সঙ্গে কথা বলেন এবং মৃতদেহকে আরও ভালো জায়গায় দাফনের পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা মোতাবেক আসামিরা চার থেকে পাঁচ দিন পর লাশকে সরিয়ে ৫০ মিটার গভীর একটি সেচ খাদের নিচে পুঁতে দেয়। ঘটনার দেড় মাস অতিবাহিত হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে, তারা মোবাইল ফোনে বিধানের বাবা অনিলের কাছে ৬ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে।
ডিবি পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, বিধানের নিখোঁজের পর থানায় একটি ডায়েরি করা হয়েছিল। এরপর থেকে তাকে খুজার চেষ্টা চলছে। কিন্তু আসামি মুক্তিপণ দাবি করতে শুরু করলে বিধানের বাবা পুলিশকে ফোন করেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শনাক্তকরণের পর আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। আমরা এখনও ঘটনাস্থলে রয়েছি হত্যার আরও প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সকালে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।

0 Comments:
Post a Comment