ডেস্ক রিপোর্টঃ আর্কাইভ ৭১ এবং চ্যানেল নাইন এর আয়োজনে গত ১৭ মে, ২০২৩ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা (ওয়েবিনার) অনুষ্ঠিত হয়। আর্কাইভ -৭১ এর সভাপতি কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম.এ. মান্নান এম পি, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম এম পি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ড. মৃণাল কান্তি দাস এম পি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর প্রেসিডিয়াম সদস্য জনাব জাহাঙ্গীর কবির নানক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর যুগ্ম - সাধারণ সম্পাদক জনাব এ এফ এম বাহাউদ্দিন নাছিম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। এছাড়াও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ ও দেশের বাহিরে থেকে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ জনগণ।
আলোচনা সভায় উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতি কেএসএম মোস্তফিজুর রহমান বলেন বঙ্গবন্ধু কে সপরিবারে হত্যার পর ৭৫ পরবর্তী সময়ে দেশে যখন ক্ষুধা, দারিদ্র্য, অন্যায় ও অবিচারের যে রাজত্ব কায়েম করা হয়েছিল, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন পরবর্তীতে তিনি এদেশ থেকে ক্ষুধা ও দারিদ্রতা দূর করে নিম্ন আয়ের একটি দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তর করেছেন এবং আমাদের কে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশ হবে। তিনি আরও বলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ঐতিহ্য রক্ষা, পদ্মা সেতু সহ দেশের বহু অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন করেছেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি, দক্ষিণাঞ্চলের চরমপন্থিদের আত্মসমর্পণ, জঙ্গি ও সন্ত্রাস নিধন করে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন।
পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান এম পি বলেন দেশের মানুষের দুইটি আকাঙ্ক্ষা ছিল স্বাধীনতার পূর্বে মানুষের আকাঙ্ক্ষা ছিল স্বাধীনতার, আমাদের স্বপ্ন ছিলো আমরা স্বাধীন হব। তখন সেই স্বপ্ন পূরণ করার মতো নেতৃত্ব দেওয়ার মতো একজনই ছিলেন "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব", তার নেতৃত্বেই সেই স্বাধীনতা আমরা পেয়েছি। এখন দেশের মানুষের যে স্বপ্ন সেটি হল, "বৈশ্বিক উন্নয়ন"। ক্ষুধামুক্ত, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, উন্নত চিকিৎসা সেবা ও উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা। প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা বিশ্বমানে পৌঁছাতে চাই, আর এই যাত্রায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সব সময় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সমস্ত কাজে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সভাপতি শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৭ মে। তিনি দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। সেদিনটি ছিল আমাদের কাছে শুধু নয় বাঙালী জাতির কাছে সেই দিনটি ছিল বাঙালি জাতির কাছে এক মুক্তির দূত এর আগমন। সেদিন প্রচণ্ড ঝড়, বৃষ্টি ও বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে মানুষের একমাত্র লক্ষ্য ছিল তেজগাঁ বিমানবন্দর অভিমুখে। সেদিন বিকেল ৪ টা ৩২ মিনিটে মাননীয় নেত্রী তার জননী জন্মভূমিতে প্রথমবারের মতো মুজিব বিহীন বিহীন বাংলার মাটিতে পদার্পণ করেন এবং বাংলার মানুষদেরকে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান। কুর্মিটোলা থেকে সেদিন মানিক মিয়া এভিনিউ পর্যন্ত আসতে সেদিন তার সারে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছিল। সেদিন সবকিছু উপেক্ষা করে সমস্ত ঢাকা মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়েছিলো।
এছাড়াও উপস্থিত সকলেই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। পরিশেষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা, তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে ভার্চুয়াল আলোচনা সভাটি (ওয়েবিনার) সমাপ্ত হয়।

0 Comments:
Post a Comment