ডেস্কঃ মাতৃভাষার পাশাপাশি নতুন একটি ভাষা শেখার প্রচুর উপকারিতা রয়েছে। নতুন ভাষা শিখলে মস্তিষ্ক সুস্থ থাকে, ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমে এবং মনোযোগ বাড়ে। এসব কারণে অনেকেই ভাষা শিক্ষার প্রতি আগ্রহী।
বর্তমানে যে ভাষাটির প্রতি প্রচুর মানুষ আগ্রহী হয়ে উঠেছে, তা হলো ম্যান্ডারিন। ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ থেকে শুরু করে ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রিন্স উইলিয়াম পর্যন্ত নিজ সন্তানকে এই ভাষাটি শেখাচ্ছেন।
পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মানুষ কথা বলে চীনা ভাষায়, প্রায় ১২০ কোটি। চীনা ভাষার আবার দুইটি ধরন আছে, ক্যান্টোনিজ এবং ম্যান্ডারিন। শুধু ম্যান্ডারিনেই কথা বলে ১০০ কোটি মানুষ। এ কারণে ধরেই নেওয়া যায় ভবিষ্যতেও এ ভাষার চাহিদা অব্যাহত থাকবে। ব্যবসার উদ্দেশ্যেই হোক, আর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যেই হোক, পৃথিবীর প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নিজ সন্তানদের শেখাচ্ছেন এই ভাষাটি। তাদের মাঝে রয়েছেন-
জেফ এবং ম্যাকেনজি বেজোস
অ্যামাজন কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এবং তার স্ত্রী ম্যাকেনজির চার সন্তান। তারা সন্তানদের বিভিন্ন বিষয়ে শেখানো নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করে চলেছেন কয়েক বছর ধরেই। এর মাঝে রয়েছে অসময়ে ভ্রমণ, রান্নাঘরে বিজ্ঞান গবেষণা, মুরগীর ডিম ফোটানো, ম্যান্ডারিন শেখানো ইত্যাদি।
মার্ক জাকারবার্গ এবং প্রিসিলা চ্যান
কয়েক বছর আগে থেকেই ম্যান্ডারিন শিখছেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। তার স্ত্রী প্রিসিলা চ্যানের বাবা-মা ছিলেন চাইনিজ এবং তারা ভিয়েতনাম থেকে পালিয়ে এসেছিলেন। তবে প্রিসিলা ক্যান্টোনিজে পারদর্শী। এই দম্পতি ইতোমধ্যেই তাদের সন্তান ম্যাক্সকে ম্যান্ডারিন শেখানো শুরু করেছেন। এক ভিডিওতে দেখা যায়, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই)-এর সাহায্যে ম্যান্ডারিন শিখছে ম্যাক্স।
ইভাঙ্কা ট্রাম্প এবং জ্যারেড কুশনার
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কা ট্রাম্প এবং তার স্বামী জ্যারেড কুশনারের তিন সন্তান। তাদের দেখাশোনা করার জন্য এমন এক ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যিনি ম্যান্ডারিন পারেন। ফলে তারাও ম্যান্ডারিন শিখছে।
প্রিন্স উইলিয়াম এবং কেট মিডলটন
ব্রিটিশ রাজপরিবারের দম্পতি প্রিন্স উইলিয়াম এবং কেট মিডলটনের বড় ছেলে ৪ বছর বয়সী প্রিন্স জর্জ পড়ছে টমাস ব্যাটারসি স্কুলে। তাকে ম্যান্ডারিন শেখানো হবে সেখানে। শুধু তাই নয়, প্রিন্স উইলিয়াম নিজেও অল্পবিস্তর ম্যান্ডারিন বলতে পারেন।
সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার

0 Comments:
Post a Comment